image seo for cybery store blog
  • Save
E-commerce

প্রোডাক্ট ইমেজ ব্যবহার করে কিভাবে ইকমার্স সাইটের ভিজিটর বাড়াবেন?

যেকোনো ইকমার্স সাইটের জন্য এসইও ভিসিবিলিটি এবং ট্রাফিক প্রয়োজন। তাই আমি আজ আপনাদের সাথে এমন কিছু বিষয় শেয়ার করবো যাতে শুধু আপনার সাইটের প্রোডাক্ট ইমেজ নামগুলোর সঠিক ব্যবহার করে আপনার এসইও ভিসিবিলিটি এবং ট্রাফিক অনেকটাই বাড়িয়ে তুলতে পারেন।
আগে একটা সময় ছিল যখন ইমেজ ফাইলের নামের সাথে এসইওর খুব একটা সম্পর্ক ছিলনা। কিন্তু এখনকার সময়ের জন্য ইমেজের নামের বিষয়টি এসইও এর সাথে অতপ্রতভাবে জড়িয়ে আছে। ফাইলের নাম ডেসক্রিপটিভ, ইফেক্টিভ অল্টার ডেসক্রিপশন এবং ইমেজ ফাইলগুলো কমপ্রেস করে রাখতে হবে যাতে আপনার ওয়েবসাইটটি হাল্কা এবং তারাতারি লোড হয়। উপরের সবগুলোই হচ্ছে বেস্ট প্র্যাকটিস কিন্তু আমি বলবনা যে এই জিনিসগুলো করলে আপনার সাইটটি র্যাংক করে বসে থাকবে।
২০১৩ সালের পর থেকেই এসইও এলগোরিদমে অনেকটাই পরিবর্তন এসেছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে নতুন প্রযুক্তির সংযোজন। ইমেজ হচ্ছে ইফেক্টিভ এসইও প্র্যাকটিসের একটি ক্রিটিকাল ফোকাল পয়েন্ট।
ই-কমার্সে প্রোডাক্ট ইমেজ (এবং ভিডিও) যে বিশাল ভূমিকা পালন করে তা আরও ভালভাবে জানার জন্য ইমেজ এসইও কৌশলটির ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব বোঝা অনেক বেশি প্রয়োজন।

ওয়েবসাইট ট্রাফিকের জন্য ইমেজ এসইও এর প্রয়োজনীয়তা

SEOmoz এর ডাটা অনুসারে পুরো সার্চ ইঞ্জিনের প্রায় ২২.৬% হচ্ছে ইমেজ সার্চ।
তারমানে ইমেজ সার্চ হচ্ছে ইউটিউব সার্চের ৫ গুন এবং বিং সার্চের চেয়ে ১০ গুন বেশি!
যেহেতু এত পরিমাণ লোক ইমেজ সার্চ ব্যবহার করছে, গুগলের সাম্প্রতিক আপডেট অনুযায়ী বলা হয়েছে সার্চের জন্য কিভাবে ইমেজগুলোকে ব্যবহার করা যায়। এক্ষেত্রে সাইটে ইমেজের মাধ্যমে ট্রাফিক পাঠানোর সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।
আপনি যদি এসইওকে গুরুত্ব দেন, তাহলে ইমেজ এসইও এর বেসিক সম্পর্কে আপনার জানা থাকার কথা যা ১ বছর আগেও সবাই অনুসরণ করত। আর শপিফাই এর মতো ইকমার্স প্ল্যাটফর্মগুলো এই কাজগুলোকে আরও বেশি সহজ করে দিয়েছে।
প্রথমেই, আমি আপনাকে কিছু কুইক বেসিক ইমেজ এসইও বলে দিব। তারপরে শেয়ার করবো কিছু একেবারেই নতুন ইমেজ এসইও ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে, তাহলে আপনি আরও ভালোভাবে নিশ্চিত হতে পারবেন আপনার ইমেজ এসইও এর কৌশল ঠিক আছে কিনা এবং সে হিসেবে খুব সহজে আপনার সাইটে নতুন ট্রাফিক আনতে পারবেন।

বেসিক এসইও অডিট

বড় কিংবা ছুটো যেকোন ধরনের সাইটই হোক শুরুটা করতে হবে এসইও অডিটের মাধ্যমে। আপনি সাধারণত বেসিক অডিটের জন্য এই বিষয়গুলো চেক করে নিতে পারেনঃ

আপনার ইমেজে কি ডেসক্রিপটিভ নাম এবং উপযুক্ত অল্টার টেক্সট আছে?

যেহেতু গুগল স্পাইডার যেকোনো ওয়েবপেজের HTML ক্রল করে, তাই আপনার সেই সুবিধাকে কাজে লাগানো উচিত। আপনার কন্টেন্ট এর টপিক রিলিভেন্সি অনেক বেশি প্রয়োজন। তাহলে আপনার সাইটটি খুব দ্রুত ইনডেক্স করে নিবে এবং রিলেটেড সার্চের জন্য সার্চ রেজাল্টে দেখাবে।
ইমেজ ফাইল নেম দিয়েই আপনি এই সুবিধাটুকু খুব সহজেই নিতে পারেন। যখন কোনো ওয়েবসাইট অডিট করতে বসি এখনো দেখি অনেকে নিচের ইমেজের মত নাম ঠিক করতে ভুলে যায়। যা আসলে অনেক বেশি প্রয়োজনীয়।
blue color tshirt প্রোডাক্ট ইমেজ
  • Save

                    Filename: image001.jpg

জেনেরিক ফাইল নেম, যেমনঃ “image001.jpg” এর সমস্যা হলো এ ধরনের নাম গুগলের কাছে কোনো ধরনের গুরুত্ব বহন করেনা। কারণ গুগল বুঝতে পারেনা ইমেজটি আসলে কিসের কথা বলছে।

ডেসক্রিপটিভ (কিন্তু খুব বেশি ডেসক্রিপটিভ নয়) এমন অল্টার টেক্সট

আরেকটি বেসিক কিন্তু প্রয়োজনীয় টার্ম। এটি হোল অন্যতম একটি উদাহরণ যার মাধ্যমে গুগলকে আরও ভালোভাবে বুঝানো সম্ভম আপনার ইমেজ এবং প্রোডাক্ট এর ব্যাপারে।
simple blue color tshirt on a white background
  • Save
img src=”sky-color-simple-tshirt .jpg” alt=”simple sky color tshirt on a white background”
এই অল্টার টেক্সটটি ডেসক্রিপটিভ, স্পেসিফিক এবং গুগলকে ভালোভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছে ইমেজটি সম্পর্কে ১২৫টি বর্ণের মধ্যে।
নোটঃ ইমেজ অল্টার টেক্সট কখনোই ১২৫টি বর্ণের উপরে ব্যবহার করা উচিত নয়।
img src=”sky-color-simple-tshirt .jpg” alt=”simple sky color tshirt colored by cybery store on sky color on a white background board”
এটা খুবই বাজে এসইও প্র্যাকটিস যদি আপনি এমনটা করে থাকেন।

ইমেজ সার্চ ইমেজ ফাইলের নাম এবং অল্টার টেক্সটকে আরও বেশী গুরুত্বপূর্ণ করেছে

ব্যবহারকারী অনেকসময় ইমেজের মাধ্যমে কাঙ্খিত প্রোডাক্টটি সার্চ করে থাকে। এক্ষেত্রে আপনার ইমেজটি যদি এসইও অপ্টিমাইজ করা থাকে সেক্ষেত্রে আপনি নিচের ইমেজের মত ভালো সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
sky color tshirt cybery store
  • Save

ইমেজ এট্রিবিউট বের করার জন্য দরকারি টুলস

যেহেতু আপনার সাইটে অনেক ইমেজ থাকবে তাই সব ইমেজের জন্য অনেক এট্রিবিউট ও আপনার দরকার। সেক্ষেত্রে নিম্নেবর্ণিত কিছু টুলস এর সাহায্য নিতে যা অনেক বেশী কাজে দেয়ঃ
Screaming Frog: পুরনো টুলস কিন্তু জাদুর মতো কাজ করে। এটার মূল্য অনেক কম, তাছাড়াও ফ্রী ভার্সনে ৫০০ এর বেশী ইমেজ এট্রিবিউট বের করতে পারবেন।
SEMRush: এটি হচ্ছে একটি অন্যতম ভালো কনটেন্ট মার্কেটিং টুলস, আপনার ইমেজ অপ্টিমাইজ করতে সবরকমের সাহায্য করবে। এটার পেইড ভার্সন প্রতি মাসে ১০০ ডলার পরবে।

সঠিক ফাইল ফরম্যাট এবং ইমেজ কমপ্রেশন টুলস এর ব্যবহার

লোডিং টাইম হচ্ছে এসইও এর একটি ডিরেক্ট র্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর। আপনি যদি আপনার সাইটের ঠিকঠাক ফাইল ফরম্যাট এবং ইমেজ কমপ্রেশন টুলস ব্যবহার না করেন তাহলে এক্ষেত্রে আপনি অনেক বেশী পিছিয়ে জাবেন।
তাই লোড টাইম কম রাখার জন্য ফাইল ফরম্যাটে প্রোডাক্ট ইমেজের জন্য JPEG এবং গ্রাফিক্স PNG হিসেবে ফরম্যাট করুন। যদিও এটা কোনো আবশ্যক নিয়ম নয় তাও এই ফরম্যাটে কাজ করা ভাল বলে আমি মনে করি।

গুগল সার্চে ইমেজের প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি ইকমারস ব্যবসায়ীদের জন্য অনেক আনন্দের সংবাদ। যেহেতু নতুন টেকনোলোজি এবং টুলসের ব্যবহার আগের চেয়ে অনেক বেড়ে যাচ্ছে, তাই এটি তাদের জন্যই সুখকর যারা এটির দ্রুত ব্যবহার শিখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *