ইকমার্স পেমেন্ট গেটওয়ে গাইড
  • Save
E-commerce

ইকমার্স পেমেন্ট গেটওয়ে – একটি সম্পূর্ণ গাইড

আপনি যদি অনলাইনে ব্যবসা করা শুরু করেন, তবে সর্বপ্রথম আপনার একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। এরপর গ্রাহকের থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য যেটার দরকার পরবে তা হল পেমেন্ট গেটওয়ে। 

সেক্ষেত্রে দেখা যায় যে সঠিক গাইডলাইনের অভাবে সঠিকভাবে ইকমার্স পেমেন্ট গেটওয়ে ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করতে পারেন না। কিংবা করলেও অনেক খরচ পড়ে যায় বা ভবিষ্যৎ এ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন।

তাই যারা ই-কমার্স ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবসা করতে চান কিংবা জাতা শুরু করেছেন কিন্তু সঠিক গাইডলাইন পাচ্ছেন না তাই পেমেন্ট গেটওয়ে আপনার ওয়েবসাইটে যুক্ত করতে পারছেন না তাদের জন্য আমাদের এই সম্পূর্ণ গাইড। এই গাইড পরলে আপনি ই-কমার্স পেমেন্ট সম্পর্কে বেশ স্বচ্ছ একটি ধারণা পাবেন। 

ইকমার্স পেমেন্ট গেটওয়ে কি?

লিখার শুরুতেই এ বিষয়ে ছোট করে একটি ধারণা দেয়া হয়েছিল। ধরুন, আপনার একটি ফিজিক্যাল শপ আছে। কাস্টমার বা গ্রাহক যখন পণ্য কিনতে আসে এবং পণ্য কিনে এরপর পণ্যের মূল্য কেউ নগদ অর্থ দিয়ে পরিশোধ করেন কেউবা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে পরিশোধ করেন। 

ঠিক তেমনি আপনি যখন অনলাইনে ব্যবসা শুরু করবেন, আপনার ওয়েবসাইটে কাস্টমার পণ্য কিনবে তখন আপনাকে যেভাবে টাকা পরিশোধ করবে সে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যে মাধ্যম ব্যবহার করবেন সেটি হল পেমেন্ট গেটওয়ে। 

যেহেতু এটি ই-কমার্স প্লাটফর্মে ব্যবহার করা হয় তাই একে ই-কমার্স পেমেন্ট গেটওয়ে বলা হয়। এটি একটি ই-কমার্স ব্যবসায় ব্যবহৃত একটি সফটওয়্যার। 

পেমেন্ট গেটওয়ে আপনার ই-কমার্স সাইট ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মধ্যে একটি নিরাপদ সম্পর্ক তৈরি করে। 

কিছু জনপ্রিয় পেমেন্ট গেটওয়ে হলঃ

  • পেপাল।
  • স্ট্রিপ।
  • অ্যামাজন পেমেন্ট।
  • অথরাইজ নেট।
  • ইনটু।
  • ওয়ার্ল্ডপে।
  • বিকাশ
  • নেক্সাস-পে।
  • রকেট।

ইকমার্স পেমেন্ট গেটওয়ে গাইডলাইন

পেমেন্ট গেটওয়ে আপানার কাস্টমারের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্যবলি যেমনঃ ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড নাম্বার এনক্রিপশনের মাধ্যমে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি কাস্টমার ও মার্চেন্ট এবং মার্চেন্ট ও পেমেন্ট প্রসেসরের মধ্যে তথ্যগুলো সুরক্ষিতভাবে সরবরাহ করে।

এছাড়াও এটি আপনার কাস্টমারকে আপনার ওয়েবসাইট যে ভুয়া নয় তা আশ্বস্ত করে। তবে উল্টোটিও ঘটতে পারে যদি আপনি যদি পেমেন্ট গেটওয়ে সঠিক ভাবে ওয়েবসাইটে না বসান। সেইসাথে আপনার কাস্টমার কোনপ্রকার ঝামেলা ছাড়া চেকআউট করতে পারবে কি পারবনা তা এটি নির্ধারণ করবে। যেহেতু এই বিষয়টি আপনার কনভার্সন রেটে প্রভাব ফেলবে তাই আপনাকে পেমেন্ট গেটওয়ে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। 

কিভাবে আপনি সঠিক উপায়ে পেমেন্ট গেটওয়ে নির্বাচন করবেন?

পেমেন্ট গেটওয়ে গাইডলাইনের শুরুতেই যেটি আপনাকে জানতে হবে তা হল সঠিক উপায়ে পেমেন্ট গেটওয়ে নির্বাচন। 

এক্ষেত্রে সবার আগে জানতে হবে আপানার শপিং কার্টের জন্য কোন ধরনের পেমেন্ট গেটওয়ে সহায়ক ।নাহলে আপনাকে বিভিন্ন ধরণের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে। তবে অধিকাংশ শপিং কার্ট ন্যূনতম এক ডজন কিংবা তারও অধিকসংখ্যক পেমেন্ট গেটওয়ে সাপোর্ট করে। তবে আপনার শপিং কার্ট কোন কোন পেমেন্ট গেটওয়ে সাপোর্ট করবে, আপনি নিশ্চিত হতে চাইলে, যার থেকে কিনেছেন সেই বিক্রেতার ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করে দেখুন।

বিভিন্ন পেমেন্ট গেটওয়ে বিভিন্নধরণের ফিচার সাপোর্ট করে থাকে। 

তবে কয়েকটি সাধারণ ফিচার আছে যেটা আপানাকে অবশ্যই পেমেন্ট গেটওয়ে নির্বাচনের সময়ে মাথায় রাখতে হবেঃ

  • ফ্রড সনাক্তকরণ সুবিধা

আপনার পেমেন্ট গেটওয়ে তে ফ্রড কাস্টমার সনাক্তকরণ সুবিধাটি অবশ্যই থাকতে হবে। কারণ, অনেক সময় দেখতে পাবেন যে কাস্টমার মূল্য পরিশোধ করা সত্ত্বেও আপনি টাকা পাননি। 

কারণ, ফ্রড কাস্টমার ছিল, এবং ভুয়া ট্র্যান্সেকশন বানিয়ে আপানাকে দেখিয়েছে। এর ফলে আপনি কিছুই করতে পারবেন না। 

যদিও ফ্রড সনাক্তকরণ সুবিধা পেতে হলে আপনাকে কিছু বেশি টাকা খরচ করতে হবে তবুও এতে করে আপনি সারাজীবনের জন্য ক্ষতির মুখ থেকে বেঁচে যেতে পারেন।

  • ভার্চুয়াল টার্মিনাল

আপনি যদি আপনার ই কমার্স ওয়েবসাইটকে মোবাইল উপযোগী করতে চান তবে পেমেন্ট গেটওয়েতে ভার্চুয়াল টার্মিনাল অবশ্যই লাগবে। এটি হল একটি জায়গা যেখানে আপনি লগিন করে ম্যানুয়াল উপায়ে বিভিন্ন রকমের ট্র্যান্সেকশন করতে পারবেন।

ভার্চুয়াল টার্মিনাল হল ফিজিক্যাল পয়েন্ট অফ সেল(POS) টার্মিনালের মতই। এটি কোন প্রকার ফিজিক্যাল কার্ড ছাড়াই গ্রাহকের পেমেন্ট গ্রহন করবে। ভার্চুয়াল টার্মিনালের সাহায্যে আপনি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যে পেমেন্ট পাবেন তা গ্রহন করতে পারবেন।

  • পুনরাবৃত্তিক ফি গ্রহণের সুবিধা

আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটে এমন সার্ভিস দিয়ে থাকেন, যাতে মাসিক বা বাৎসরিক সাবসক্রিপশন করতে হয়। অর্থাৎ, পুনঃপুনঃ বার একজন গ্রাহকের থেকে পেমেন্ট নিতে হয় সেক্ষেত্রে আপনার পেমেন্ট গেটওয়েটিতে পুনরাবৃত্তিক ফি গ্রহণের সুবিধা আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে। 

  • পেমেন্ট গেটওয়ের খরচ

পেমেন্ট গেটওয়ে স্থাপন করার আগে আপনাকে অবশ্যই এর খরচ সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। আপনি যদি পেমেন্ট গেটঅয়ের খরচ সম্পর্কে না জেনে থাকেন তবে আপনার ব্যবসা পরবর্তীতে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পরবে। আপনি বিভিন্ন রেঞ্জের মধ্যে পেমেন্ট গেটওয়ে পাবেন। কিছু সার্ভিস আছে যা আপনি অবিশ্বাস্যমূল্যে পেতে পারেন। আপনি আপনার বাজেট অনুযায়ী পেমেন্ট গেটওয়ে নিবেন। 

মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে

১) সাইন আপ/ সার্ভিস ফিঃ এক্ষেত্রে সাইন আপ করতে গেলে একটি ফি দিতে হয়। 

২) ট্রান্সেকশন ফিঃ এক্ষেত্রে সাইন আপ ফি লাগেনা কিন্তু একটি ট্রান্সেকশন ফি দিতে হবে। 

পেমেন্ট গেটওয়ে বসানোর ক্ষেত্রে আরও যে সকল ফি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে-

  • সেটাপ ফিঃ আপনি যখন পেমেন্ট গেটওয়ে বসাবেন তখন একটি নির্দিষ্ট পরিমানে টাকা পরিশোধ করতে হবে। 
  • মাসিক বা বাৎসরিক ফিঃ প্রতি ট্রান্সেকশনে ফি যা পারসেন্টেজ আকারে বা একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ দিয়ে শোধ করতে হতে পারে। 
  • উইথড্রয়াল ফিঃ আপনি যে ফি প্রদান করবেন তার জন্য আরও কিছু ফি দিতে হয় এটিকেই উইথড্রয়াল ফি বলে।
  • চার্জব্যাক ফিঃ চার্জব্যাক ফি হল যে ফি টি প্রতি কাস্টমার ট্রান্সেকশনের জন্য একটি ফি। ক্রেতাদের ভুয়া পেমেন্ট থেকে রক্ষা করার জন্য এই চার্জব্যাক ফি নেয়া হয়। এই সুবিধাটিও আপনার সাইটে অবশ্যই রাখতে হবে। এতে করে ভুয়া কাস্টমারদের থেকে অনেকটাই রক্ষা পাবেন। 
  • ফ্রড সনাক্তকরণ ফিঃ আপানার পেমেন্ট গেটওয়েতে আই সুবিধা থাকলে আপনাকে এই ফি দিতে হবে। মনে রাখবেন, আগেই বলা হয়েছে যে এটি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য খুবই জরুরি। 

এছাড়াও আরও কিছু ফি আছে যা আপনাকে পরিশোধ করতে হবে। তবেই আপনি পেমেন্ট গেটওয়ে থেকে সেরা সার্ভিস পাবেন। 

  • সঠিক পেমেন্ট প্রবাহ বাছাই করা

আপনার ইকমার্স ব্যবসার জন্য পেমেন্ট গেটওয়ে যখন নিবেন তখন সঠিক পেমেন্ট প্রবাহ বাছাই করা খুবই জরুরি। একটি প্রাইমারি গেটওয়ে কিছু সুবিধা দিবে আপনি যদি সেগুলোর জন্য টাকা পরিশোধ করে থাকেন। যেমনঃ

  • একটি সমন্বিত পেমেন্ট ফর্মঃ যেহেতু বিভিন্ন বিস্তারিত বিষয় একটি পেমেন্ট গেটওয়েতে পাঠানো হয় তাই সেসকল তথ্য এই ফর্মে থাকবে এবং একটি সমন্বিত এপিআই (API) কি থাকবে যা তথ্যকে সুরক্ষিত রাখে এবং এই ফর্মটি পেমেন্ট গেটওয়ে দিয়ে যাবে। 
  • পেমেন্ট রিডাইরেক্টঃ আপনার ওয়েবসাইটের ইউজার যারা তারা হয় সরাসরি নিরাপদে পেমেন্ট করার পেজে যেতে পারে বা তাদের তথ্যগুলো একটি আইফ্রেমে রাখতে হবে। যা একটি পেমেন্ট রিডারেক্টশন পদ্ধতি। এটি খুবই সময় সাশ্রয়ী। তাই এটি ব্যবহার করা ভাল।
  • এসক্র সিস্টেমঃ এসক্র সিস্টেম হল একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি থার্ড পার্টি থাকবে। যারা পেমেন্ট গ্রাহক হতে বিক্রেতাকে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।
  • গড় ট্রান্সাকশনের পরিমাণঃ কিছু পেমেন্ট প্রভাইডার আছেন যারা ট্রান্সাকশনের পরিমাণ ও কয়টি ট্রান্সাকশন হল তার উপর নির্ভর করে পেমেন্ট গেটওয়ের দাম নির্ধারণ করে। তাই আপনার কতটুক প্রয়োজন তার উপর নির্ভর করে আপনি প্যাকেজ নিবেন। এই বিষয় লক্ষ্য না রাখলে আপনাকে বেশি পরিমানে টাকা দিতে হবে, যা আপনার ব্যবসার জন্য ক্ষতিকর। তাই একটু যাচাই বাছাই করে পেমেন্ট প্রভাইডার নির্বাচন করুন যারা এই বিষয় নমনীয় হবে আপনার চাহিদা মত আপনাকে সহায়তা করবে এবং সার্ভিস দিবে। এতে করে আপনার ভবিষ্যতে অনেক সুবিধা হবে।
  • বিজনেস মডেল সাপোর্ট করে কিনা দেখে নিন

আপনি যে পেমেন্ট গেটওয়ে নিবেন তা আপনার বিজনেস মডেলকে সাপোর্ট করে কিনা তা দেখে নিন। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তাই আপনার বিজনেস মডেল কোনটি ও কি ধরণের তা প্রথমেই জেনে নিন। এবং পরবর্তীতে বুঝে শুনে আপনার বিজনেস মডেল সাপোর্ট করে এমন পেমেন্ট গেটওয়ে নির্বাচন করুন।

  • ২৪/৭ গ্রাহক সেবা

কিছু পেমেন্ট গেটওয়ে আছে যারা আপনাকে ৭ দিন, ২৪ ঘণ্টা গ্রাহক সেবা নাও দিতে পারে। সেক্ষেত্রে এরকম সার্ভিস প্রভিডার নির্বাচন না করাই ভাল। কারণ এতে আপনার ওয়েবসাইটে সমস্যা হলে তা সমাধান করা কঠিন হয়ে যাবে। 

তাই কোন পেমেন্ট সার্ভিস প্রভিডার নির্বাচন করার আগায় তাদের লাইভ সাপোর্ট দেখে নিন। এরপর পেমেন্ট গেটওয়ে নির্বাচন করুন।

নিরাপদ পেমেন্ট গেটওয়ে যেভাবে কাজ করে

জেনে নিন একটি নিরাপদ পেমেন্ট গেটওয়ে যেভাবে কাজ করেঃ

  • একজন গ্রাহক যখন আপনার ই- কমার্স সাইটে আসবে ও কিছু কিনার সিদ্ধান্ত নিবে তখন সে প্রোডাক্ট কিনার জন্য অর্ডার জমা দিবে। 
  • ট্রান্সেকশনের তথ্য পেমেন্ট গেটওয়ে কতটুকু নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে অর্থাৎ কোন পর্যায়ে এনক্রিপশন আছে তার উপর নির্ভর করে। 
  • পেমেন্ট গেটওয়ে এরপর ঐসকল তথ্য আপনার ব্যাংক পেমেন্ট প্রসেসরকে দিবে। 
  • পেমেন্ট প্রসেসর সেই তথ্য গ্রাহককে দিবে বা গ্রাহক যদি তার কার্ড ব্যবহার না করে তবে যার মাস্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড ব্যবহার করা হয়েছে তাকে দিবে। 
  • পরবর্তীতে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড যে ব্যাংকের সে ব্যাংক একটি রিকুয়েস্ট পাবে ও প্রসেসরকে সেটার জবাব দিবে। একটি বিশেষ কোডের মাধ্যমে জবাব দিবে যেটি দিয়ে বোঝা যাবে ট্রান্সেকশন সফল হয়েছে কি হয়নি। 
  • এখন পেমেন্ট প্রসেসর ঐ সংবাদ পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে পাঠাবে।
  • পেমেন্ট গেটওয়ে সংবাদটি গ্রহন করবে এবং সেটি আপনার ওয়েবসাইটে পৌঁছে দিবে। পরবর্তীতে এই তথ্য কার্ড বহনকারী ও সেই সাথে মার্চেন্টের কাছেও যাবে।

কিভাবে পেমেন্ট গেটওয়ে আপনার ওয়েবসাইটে বসাবেন? 

পেমেন্ট গেটওয়ে ওয়েবসাইটে বসানো বা সেটআপ করা খুব কঠিন কোন কাজ নয়। 

যেভাবে পেমেন্ট গেটওয়ে আপনার ওয়েবসাইটে বসাবেন তা হলঃ 

  • যখন আপনি সাইনআপ করবেন তারা আপনাকে একটি কাস্টমার আইডি, এপিআই কি(API Key) বা এরকম কিছু একটি দিবে। 
  • এরপর আপনি শপিং কার্টে যাবেন। এবং যে পেমেন্ট গেটওয়ে নিয়েছেন তা নির্বাচন করুন। যেসকল তথ্য চাবে তা পূরণ করুন। 
  • সাধারনত সব পেমেন্ট গেটওয়েতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার উপায় থেকে থাকে। শপিং কার্ট পেমেন্ট গেটওয়ের সাথে সমন্বিত থাকে, কিন্তু ট্রান্সেকশন প্রক্রিয়া করবেনা। এক্ষেত্রে তাদের দেওয়া বিশেষ ধরণের ক্রেডিট কার্ড নাম্বার দিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। 

অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রি ও কেনাকাটা বর্তমানে খুব জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। দিন দিন অনলাইনে কেনাকাটা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ এতে করে সময় ও শ্রম দুইটিই বেঁচে যায়। এছাড়াও অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রি করা তুলনামূলকভাবে সহজ। 

আমরা আশা করছি আপনি এই গাইডলাইন পরলে পেমেন্ট গেটওয়ে সম্পর্কে বেশ স্পষ্ট একটি ধারণা পাবেন। গাইডলাইনটি হল আপনার জন্য পথ প্রদর্শক। এই গাইডলাইনের অনুসরণ করলে আপনি ইকমার্স পেমেন্ট গেটওয়ে সম্পর্কে একটি ভাল ধারণা পাবেন এবং আপনার ব্যবসায়ে কাজে লাগাতে পারবেন।

এই গাইডলাইনটি আপানাদের সঠিক ইকমার্স পেমেন্ট গেটওয়ে নির্বাচন করতে সাহায্য করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *